স্বভাবতই, সব বাবা মায়েরা চান তাদের সন্তান যেন উত্তম চরিত্রের হয়, ধার্মিক/পরহেযগার হয়। সেজন্য তারা সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টা করেন।
আর অবিবাহিতদের চাওয়া তাদের জীবনসঙ্গী যেন খুব-ই ভালো আর অত্যন্ত ধার্মিক হয়।
.
কিন্তু আমরা প্রত্যেকে নিজেদের কথা ভুলে যাই।
(যে, আমি কি করেছি নিজের জন্য, আমার পরকালের জন্য। এটা ভাবি না, আরেকজন ধার্মিক হলে তাতে আমার লাভ কি? যতোই ভালো হোক সে তো আর আমার কবরে যাবে না, আমার কবরে আমাকেই যাওয়া লাগবে, তাই জন্য আগে আমাকে ভালো হতে হবে, ভালো কাজ করতে হবে।)
ভাবি না, যে ভালো চরিত্রের হবে কেবল সে-ই তার প্রতিদান পাবে। দুনিয়াতেও এবং আখিরাতেও।
হারাম পথে উপার্জন করা অথবা কাজের চাপে নিয়মিত নামাজ না পড়া মানুষটাও চায় তার ছেলে-মেয়ে ভালো কিছু করুক।
আর তাদের কে ভালো রাখার জন্যই এমন পথ বেছে নেয় কিন্তু এটা ভুলে যায় সে যখন কবরে থাকবে তার সন্তান তার কোনো কাজেই আসবে না। নিজের জবাব নিজেকেই দিতে হবে। (কেন নামাজ পড়লাম না, কেন কুরআন পড়লাম না বা পড়েও/জেনেও মান্য করলাম নাহ, এগুলোর জবাব নিজেকেই দেওয়া লাগবে। সিওর থাকেন।🙂
আমার সব করার সময় হইছে শুধু নামাজ পড়ার সময় হয় নাই, জবাব তো দিতেই হবে, তাই না।)
আমরা মূলত নিজেকে ভালোবাসি, তাই নিজের যা কিছু আছে সবকিছু কে ভালবাসি।
তবে আমার জন্য সুনিশ্চিত কবর বা আখিরাত যে আছে সেক্ষেত্রে এতো উদাসীন কেন? সেটা ভাবার সময় আমার নেই কেন?
ইয়া রহীম। আমাদের হেদায়াত দিন, নিজের চূড়ান্ত সফলতা যে জাহান্নাম থেকে বেঁচে জান্নাত পাওয়া সেটা বোঝার তৌফিক দিন, প্রতিটা মুমিন-মুসলমান কে, প্রতিটা মানুষ কে।😑
Tags
ইসলাম